কবি মজিবরের রহমানের ছোট গল্প “পর্দা”

ad

বহু নারীবাদী লেখিকারা ই লিখেন-পুরুষের কি পর্দার প্রয়োজন নাই?পুরুষ দেহ দেখিয়ে সাধারণ কাজ কর্ম করলে নারীর কী যৌন লিপ্সা হতে পারে না?সহমতে বলতে হয় পুরুষের পর্দার প্রয়োজন আছে।মনের পর্দা চোখের পর্দা সহ দেহ শরীয়া মোতাবেক ঢেকে কাপড় চোপড় পরিধান করা এবং কঠোর কঠিন কাজের সময় সম্ভবপর পরিধান করা।

নারীদের পর্দা ধর্মমতে চারি দেয়ালের মাঝে, এ ডিজিটাল যুগে বলাই বাহুল্য। তবে মনের পর্দা চোখের পর্দা ওড়না, হিজাব,রুমাল দিয়ে মাথা বাঁধা ও বোরকা যতটুকু ধর্মমতে না করলেই নয় ততটুকু মানা উচিৎ।

সবচেয়ে বড় কথা, বয়সভেদে পর্দার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করলে অধিক ক্ষেত্রেই দেখা যায় চতুর্দশী হতে চল্লিশ বয়স পর্যন্ত নারী পর্দার গুরুত্ব দেয় না।
চল্লিশোর্ধ এমন কি বৃদ্ধা হলে পর্দা পরে বা করে।তখন কিছু বেয়ারা পুরুষ পর্দার ভেতর নারী যৌবনা নাকি বৃদ্ধা কৌতুহল নেত্রে বারবার তাকায়।যখন একবার দেখে বৃদ্ধা আর দ্বিতীয়বার তাকায় না।ধর্মমতে নিরুপায় হয়ে তো একবার তাকানোই জায়েজ।তা হলে আর বৃদ্ধার পর্দার প্রয়োজন কি? এ ক্ষেত্রে ও পর্দার বিরুদ্ধাচারণ করছি না বরং যৌবনাদের পর্দার অধিক গুরুত্বারোপ করছি।

অধুনা অধিকাংশ যৌবনারা পর্দা পরে দেহের কোথায় কি বিদ্যমান অর্থাৎ প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ শনাক্তের সতর্কতা না রেখে ই পর্দা পড়ে।এমন কি হাটা চলায় দেহের ভাজে কাজে ওভাবে না পরে নরমাল ড্রেস পরলেও মানুষ তার দেহ দেলানো দেখত না।কাজেই পর্দা করতে হবে মন থেকে যাতে এমন ঢিলে ঢালা না হোক ই কালা যাতে অঙ্গ পত্যঙ্গ সম্ভবপর রেখে যায় ঢাকা।কিছু নারী ভাশুর দেবরের সাথে আড়াল করে বহু ভগ্নিপতিদের সাথে চুকিয়ে কথা বলে- এটি ব্যাখা করলে বুঝা যায় ভিন পুরুষের ঘরে নিজ বোন তো নিজের সাথে কিছু টা জিনেটিক কারনেই দেখতে স্বাদৃশ্যপূর্ন হওয়া স্বাভাবিক তাদের স্বামীর আত্মীয় বিয়োগে বিয়াত্মীয়করন মাত্র।মানলে ধর্ম মতে মানাই বাঞ্জনীয়।

লেখক ও কলামিষ্ট
মোঃ মজিবর রহমান
সংগ্রহে -মফিজুল ইসলাম সৌরভ

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.