বর্ষার ভরা যৌবনে দৃশ্যমান পদ্মাসেতু

ad

আসিফ উজ্জামান নাহিদ /পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ স্বপ্নের সেতু, আমাদের পদ্মাসেতু। দক্ষিণবঙ্গের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র হাহাকার এই পদ্মাসেতুকে ঘিরে। নানা সব জল্পনা-কল্পনা ছাপিয়ে পদ্মাসেতু আজ দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু হচ্ছে পদ্মাসেতু। এর মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের সাথে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা যুক্ত হবে। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে। দুই স্তর বিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিটের নির্মিত সেতুটি ছিলো বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প।

৬.১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.১০ মিটার প্রস্থ নিয়ে মোট ৪১ টি পিলারের ওপরে দাঁড়িয়ে আছে দক্ষিণ বঙ্গের এই স্বপ্নের সেতু। যা শুধু নদীর দু প্রান্ত কে নয় একত্রিত করেছে হাজারো বাঙালির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাক, মধ্যকার আকাঙ্খা কে। দূরত্ব কে কমিয়ে জীবন কে করেছে সহজ। সমৃদ্ধি বয়ে এনেছে দেশ ও জাতির জন্য।

পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট খরচ করা হচ্ছে ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি। পদ্মাসেতুর নকশাকারী প্রতিষ্ঠান এ.ই.সি.ও.এম এবং নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিঃ। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী ৭ ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে শুরু হওয়া সেতুর কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে এবং ২০২২ সালের জুলাই (আনুমানিক) মাসে পদ্মাসেতু যান চলাচলের জন্য উপযোগী হবে। উন্মোচিত হবে এক নতুন সম্ভাবনা।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.